সঙ্গিনীর মুখ থেকে সেক্সের কথা শুনে যেকোন ছেলেই কিছুটা হলেও টার্ন অন হয়ে যায়। এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু সব সময় যে এটা কাজ করবে তা কিন্তু না। মনে হতেই পারে, ছেলেদের আবার সেক্স করার জন্যে আলাদা মুড লাগে নাকি। কিন্তু যত যাই হোক, ছেলেরা কিন্তু কোন সেক্স রোবট না। ছেলেরাও মাঝে মাঝে বেশ অনুভূতি প্রবন হয়ে উঠে। আর কখনো সেই অনুভূতি গুলোই তার কাছে সেক্সের থেকে গুরুত্ব পায়। কখনো সে ওয়াইল্ড সেক্সের থেকেও বেশি চায় শক্ত করে কাউকে জড়িয়ে ধরতে। অবাক লাগছে? কিন্তু এমন অবস্থা তো আসেই যখন সে আগের মতো সময় দিচ্ছে না। সেক্স করতে আগ্রহী নয় আগের মতো। সেটা নিয়ে চাইলেই অনেক ঝগড়া করা যায়। কি হচ্ছে টা কি। কিন্তু তাকে একটু বোঝার চেষ্টাও করা যায়। হয়তো সে পরিশ্রান্ত, বা চিন্তিত কোন কিছু নিয়ে। হয়তো সেটাই তাকে ছেয়ে রাখছে সবসময়। যেহেতু ক্যারিয়ার বিল্ড আপ করাটা ছেলেদের জন্যে একটা বড় চ্যালেঞ্জ এবং অনেক দায়িত্ব তার ঘাড়ে, তার স্ট্রেসড হওয়ার সকল অধিকার তার আছে। এছাড়াও জীবনের নিত্য নতুন ঝামেলা তো সবারই আছে। হয়তো তার উপর দিয়ে সেক্সে মনযোগ দিতে পারছে না সে। তার সঙ্গিনী হিসাবে সব সময় আপনার দায়িত্ব এটা নয় যে তাকে স্যাটিস্ফ্যকশন দিতে হবে সেক্সুয়ালি। মাঝে মাঝে তাকে বুঝতেও হবে। সমস্যা গুলোকেও। তাকে একটু কম্ফোর্ট দেওয়ার দায়িত্বটা কিন্তু আপনার ই। হয়তো ছোট কিছু সান্তনার বানী, হাল্কা করে জড়িয়ে ধরা বা একটা সাদাসিদে চুমু তার সমস্যা গুলো দূর করতে পারবে না, কিন্তু সমস্যা গুলো মোকাবেলার শক্তি কিছুটা হলেও যোগাতে পারবে। সে কি চায় সেটা বুঝুন, সেভাবেই সাপর্ট দেওয়ার চেষ্টা করুন। দায়িত্ব না হয়ে শক্তি হওয়ার চেষ্টা করুন।
ছোট খাটো রোম্যান্স, হাল্কা ভালবাসার ছোয়া দিয়ে তাকে আস্তে আস্তে তৈরি করুন। একটা সময় সে নিজেই সারা দিবে, যদি আপনাদের একটা সুস্থ ভালবাসাময় সম্পর্ক থাকে তাহলে। হয়তো অনেক পরিশ্রমের ফাকে দীর্ঘ ইন্টারকোর্স নয়, বরং ছোট্ট স্যাটিস্ফেকশন।
অনেকেই ইন্সিকিউর হয়ে পড়েন এরকম সিচুয়েশনে। ভয় ঢুকে যায় মনে। কিন্তু মনে রাখবেন, তার সকল সমস্যার ফাকে, স্ট্রেস কিন্তু আপনি ই দূর করতে পারেন। তাই সময় দিন তাকে সেটা বুঝে নিতে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন